ঢাকাTuesday , 26 October 2021
  1. আইন ও অপরাধ
  2. আতাইকুলা
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন
  5. কোভিড-১৯
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. জবস
  9. জাতীয়
  10. টপ নিউজ
  11. তথ্য প্রযুক্তি
  12. ধর্ম ও জীবন
  13. পাবনার সংবাদ
  14. বিনোদন
  15. ভ্রমণ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের

ডেস্ক রিপোর্ট
October 26, 2021 10:27 pm
Link Copied!

জেলা প্রতিনিধি, পাবনা: অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পাবনার বেড়া উাপজেলার মাসুমদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল হক।

মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে মাসুমদিয়া ইউনিয়ন আ.লীগ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শহিদুল হক  বলেন, তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা ও বারবার নির্বাচিত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান। সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে ‘পাবনায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। যা সত্য নয় বলে দাবি করেন তিনি। বলেন, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেয়ায় একটি কুচক্রী মহল তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে অপপ্রচারে চালাচ্ছে। তিনি যাতে দলীয় মনোনয়ন না পান সেজন্য নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে ওই মহলটি।

লিখিত বক্তব্যে শহিদুল হক অভিযোগ করেন, মাশুমদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মিরোজ হোসেন কৌশলে পেছনে থেকে এ অপপ্রচার চালাচ্ছেন। অথচ এই মিরোজ হোসেনের দশ বছর আগেও তেমন কিছু ছিল না। এর মধ্যে তিনি ঢাকায় ৩টি ফ্ল্যাট, ২টি ব্যক্তিগত গাড়ি, নামে বেনামে সম্পদের মালিক বনে গেছেন। তিনি এখন বেশিরভাগ সময় ঢাকায় নিজ বাড়িতে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। হাতে গোনা কিছুদিন এলাকায় আসেন। তার জন্য গ্রামের মানুষ তার সেবা থেকে বঞ্ছিত হচ্ছে। তিনি এক সময় জাসদ করতেন ও বামপন্থি রাজনীতি করতেন। সেখান থেকে আওয়ামী লীগে এসে এখন তিনি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে মাসুমদিয়া ইউনিয়ন কুষকলীগের যুগ্ন আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম বিশু, সহ-সভাপতি মুন্সি আব্দুল হামিদ সহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, স্বেচ্ছাসেবলীগসহ অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে মাসুমদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিরোজ হোসেন বলেন, তার বিরুদ্ধে যে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সেটি তো তদন্ত করেছেন ইউএনও, জেলা প্রশাসক, দুদক। সেখানে তার সব প্রমাণ রয়েছে। আমি তো তার বিরুদ্ধে অভিযোগও করিনি। আমার কোনো এখতিয়ারও নেই। আমি ইউনিয়নবাসীর কতটুকু সেবা করেছি তার প্রমাণ সাধারণ মানুষই দেবে। এখানে আমাকে জড়ানো উদ্দেশ্য প্রণোদিত। তার  অপকর্মের খেসারত তিনিই দেবেন। তার অপকর্ম ঢাকার জন্য আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছেন।

ব্রেকিং নিউজ
x