শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে গুলিতে নিহত ৬ বাংলাদেশীর দাফন সম্পন্ন ফরিদপুর পৌরসভার মেয়র কামরুজ্জামান মাজেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ সেই মুন্নীর পাশে সুজানগর উপজেলা ছাত্রদলের আন্তরিক অবস্থান পাবনায় ২০৫ পিচ অবৈধ নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার চাটমোহরে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ পাবনা ফ্রেন্ডস অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি রিয়াদ হোসেন বাবুর জন্মদিন মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় তানভিন আহমেদ ঈশ্বরদীতে করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ প্রয়োগ শুরু আটঘরিয়ায় বিআরডিবি’র নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদী-আটঘড়িয়ার সাবেক এমপি আব্দুল বারী সরদার আর নেই
শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১, ০৬:২১ অপরাহ্ন

যৌতুকের মামলায় পুলিশ সদস্যের কারাদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক / ১১৫ শেয়ার
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৪ মার্চ, ২০২১

নিজস্ব প্রতিনিধি: পাবনায় স্ত্রীর দায়ের করা যৌতুক মামলায় পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। একইসাথে ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও একমাসের কারাদন্ড দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০৪ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে পাবনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এর বিচারক জৈষ্ঠ বিচারিক হাকিম মোঃ শামসুল আলামীন এই রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত সোহেল রানা জেলার সাঁথিয়া উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের ওয়াদুদ হোসেনের ছেলে। তিনি বগুড়া হাইওয়ে পুলিশের কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার কনস্টেবল নং ২৯৫৪৬। মামলার বাদি সোহেল রানার স্ত্রী জালেকা খাতুন একই উপজেলার দারামুদা গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের মেয়ে।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, সোহেল রানার সাথে জালেকা খাতুনের বিয়ের পর তাদের সংসারে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। বিয়ের পর থেকে স্ত্রীর কাছে ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিলেন পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানা। যৌতুকের টাকা না পেয়ে বিভিন্ন সময় স্ত্রীকে মারধর করতেন তিনি। এর এক পর্যায়ে যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকার করায় ২০১৬ সালের ২৭ আগস্ট গর্ভজাত শিশু সন্তানসহ স্ত্রী জালেকা খাতুনকে এক কাপড়ে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন সোহেল। এরপর বাবার বাড়িতে থাকলেও স্ত্রী-সন্তানের কোনো খোঁজ নেননি তিনি। ওই বছরের ৭ অক্টোবর জালেকা খাতুনকে নিয়ে তার স্বজনরা সোহেল রানার বাড়িতে গিয়ে তাকে মেনে নিতে অনুরোধ করেন। কিন্তু সোহেল ৫ লাখ টাকা না দিলে জালেকাকে গ্রহণ করবে না বলে জানিয়ে দেন।

পরে বাধ্য হয়ে ২০১৭ সালের ২৮ জানুয়ারি জালেকা খাতুন বাদী হয়ে (১৯৮০ সালের যৌতুক নিরোধ আইনের ৪ ধারায়) পাবনা আমলী আদালত-৩ এ একটি পিটিশন মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সাঁথিয়া উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তাহমিনা পারভীনকে নির্দেশ দেন। তিনি ওই বছরের ১৪ মার্চ তারিখে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। যার স্মারক নং ২৮। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে একই বছরের ১২ এপ্রিল আসামী সোহেল রানার বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। এরপর সমনে হাজির হয়ে আদালতে থেকে জামিন নেন পুলিশ কনস্টেবল সোহেল।

দীর্ঘ সাক্ষ্য প্রমাণ ও শুনানী শেষে আদালত বৃহস্পতিবার (০৪ মার্চ) উল্লেখিত সাজার আদেশ দেন। এ সময় আসামী সোহেল রানা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

পরে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়। আসামী পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোঃ আজিজুল হক। মামলা পরিচালনায় বাদি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোঃ আব্দুর রউফ।

 


এই বিভাগের আরও খবর
ব্রেকিং নিউজ
x
ব্রেকিং নিউজ
x